মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয়

আলোচনায় ঘোষণাপত্র

আকতার   ঢাকা

৩০ ডিসেম্বর ২০২৪


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা গতকাল সংবাদ সম্মেলনে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা গতকাল সংবাদ সম্মেলনে | ছবি: Bangladesh Protidin

হঠাৎ করেই আলোচনায় জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র। আগামীকাল বিকাল ৩টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘোষণাপত্রটি উপস্থাপন করা হবে। কী আছে এ ঘোষণাপত্রে, কী হবে গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ- এ নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বরের ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এদিকে শহীদের রক্তে লিখিত সংবিধান বাতিলের চেষ্টা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি সূত্রে জানা যায়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে স্বীকৃতি দিতেই ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সব দল-মতের মানুষকে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদসহ ১৫৮ সমন্বয়ক শপথ নেবেন। গতকাল রাজধানীর বাংলামোটরে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে কথা বলেন প্ল্যাটফরমটির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সাবেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ।

সারজিস আলম বলেন, ঘোষণাপত্রটি বিগত যেসব সিস্টেম মানুষ গ্রহণ করেনি এবং নতুন যে সিস্টেম চালু হবে তার পার্থক্য হিসেবে বাংলাদেশের একটি দলিল হয়ে থাকবে। নতুন যারা দেশ পরিচালনায় আসবেন তাদের জন্য এ ঘোষণাপত্র একটি নির্দেশক হিসেবে থাকবে। এটি বাংলাদেশের সব মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।