খেলাধুলা

বিকেএসপিতে কিংবদন্তি সুফিয়াকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বিরল সম্মান: ‘গুণীরাই গুণীজনদের চিনতে জানেন’:

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০৫ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

বিকেএসপিতে কিংবদন্তি সুফিয়াকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বিরল সম্মান: ‘গুণীরাই গুণীজনদের চিনতে জানেন’: “গুণীরাই গুণীজনদের সম্মান দিতে জানেন”—এই প্রবাদের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। রোববার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিদর্শনে গিয়ে দেশের কিংবদন্তি অ্যাথলেট ও কোচ সুফিয়া খাতুনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন তিনি।সাবেক তারকা এই ফুটবলার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিকেএসপি পরিদর্শনে যান। সেখানে বক্তৃতার মঞ্চে উপস্থিত সুফিয়া খাতুনকে দেখে আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে অসংখ্যবার বিকেএসপিতে ট্রেনিং করেছেন আমিনুল হক। সেই সময় থেকেই তিনি অ্যাথলেটিক কোচ সুফিয়া খাতুনকে চেনেন। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সুফিয়া আপা; যখন আমি এখানে ট্রেনিং করেছি, তখন দেখেছি এই মানুষটি সবসময় সবার পাশে ছুটে আসতেন। তিনি শুধু অ্যাথলেটিকস নয়, ফুটবল-ক্রিকেটসহ সব ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়দের সঙ্গেই আন্তরিক যোগসূত্র রাখতেন।”সুফিয়া খাতুনকে সামনে পেয়ে নিজের ভালোলাগা প্রকাশ করে আমিনুল হক বলেন, “আজ তাকে দেখে আমার এতটাই ভালো লেগেছে যে ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমরা এমন গুণী মানুষদের সবসময় সম্মানিত করতে চাই। বিকেএসপির লক্ষ্য পূরণে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, জাতি তাদের অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।”এদিন পরিদর্শনে গেলে প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ। পরিদর্শনকালে তিনি ২১টি ক্রীড়া বিভাগের প্রশিক্ষণার্থীদের শারীরিক কসরত ও মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে উপভোগ করেন। পরে তিনি বিভিন্ন ভেন্যু ঘুরে দেখেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজ নেন। ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটিয়ে পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব।” তিনি বিকেএসপিকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বর্তমান অভিভাবক যখন নিজেই একজন সাবেক খেলোয়াড়, তখন মাঠের মানুষের প্রতি এমন সম্মান প্রদর্শন সাধারণ ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝেও ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।