খেলাধুলা

দুই গোলে এগিয়েও থাই মেয়েদের কাছে হৃদয়বিদারক হার বাংলাদেশে

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০১ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

দুই গোলে এগিয়েও থাই মেয়েদের কাছে হৃদয়বিদারক হার বাংলাদেশে
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের অভিষেকটা হতে পারতো রাজকীয়। বুধবার ব্যাংককের মাঠে স্বাগতিক থাইল্যান্ডকে স্তব্ধ করে দিয়ে এক পর্যায়ে ২-০ গোলে লিড নিয়েছিল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে দুটি পেনাল্টিসহ তিন গোল হজম করে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত জেতা ম্যাচটি ৩-২ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে ছিল বাংলাদেশ। ফরোয়ার্ড সাগরিকার অবিশ্বাস্য নৈপুণ্যে রঙিন স্বপ্নের পথে হাঁটছিল দল। ৩৫ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আসা লম্বা পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দারুণ এক গড়ানো শটে থাইল্যান্ডের জালে প্রথম বল পাঠান সাগরিকা। বিরতির পর ৫৫ মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি; নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ২-০ করেন। সাগরিকার এই জোড়া গোলে ব্যাংককের গ্যালারিতে থাকা থাই সমর্থকরা তখন রীতিমতো হতাশ।বাংলাদেশ দলে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় থাকলেও আজ অধিনায়কত্বে দেখা গেছে চমক। জাতীয় দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার দলে থাকা সত্ত্বেও কোচ পিটার বাটলার অধিনায়কের আর্মব্যান্ড তুলে দেন অর্পিতা বিশ্বাসের হাতে।২-০ তে পিছিয়ে পড়া থাইল্যান্ড ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ৬৯ মিনিটে বাংলাদেশের সুরভীন আক্তার আফরিন বক্সে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন থাই মিডফিল্ডার কুরিসারা।
এর মাত্র ৬ মিনিট পর অর্থাৎ ৭৫ মিনিটে আবারও বিপত্তি। এবার বক্সে পিচাইয়াদিাকে ফেলে দেন নবীরণ। দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকে ম্যাচে ২-২ সমতা ফেরান রিনিয়াপাথ। থাইল্যান্ডের ঝোড়ো আক্রমণের মুখে এলোমেলো হয়ে পড়া বাংলাদেশ রক্ষণভাগ ৭৯ মিনিটে তৃতীয় গোলটি হজম করে। পিচাইয়াতিদার এই গোলেই প্রথমবারের মতো লিড নেয় স্বাগতিকরা এবং ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।দুর্দান্ত শুরু করেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় বিমর্ষ হৃদয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সাগরিকাদের। তবে এশিয়ার বড় মঞ্চে শক্তিশালী থাইল্যান্ডের বিপক্ষে এমন চোখে চোখ রেখে লড়াই ভবিষ্যতে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।