আজকের সব খবর

. ‘মানুষের সমস্যার কারণ হওয়া যাবে না’: নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের তারেক রহমানের কড়া নির্দেশ

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০৫ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

 

জনগণের সমস্যার কারণ হওয়া যাবে না, নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান তারেক রহমানেরদেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার এবং আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৮ মার্চ, ২০২৬) রাতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মীর উদ্দেশ্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন।তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে তারেক রহমান বলেন, “দেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং মানুষের সমস্যার সমাধানে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষকে ধৈর্য ধারণে সহযোগিতা করা এখন আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।” নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাস্তা বন্ধ করে মানুষের কষ্ট দেওয়া যাবে না। আমি যদি নিয়মিত অফিসে আসি, তবে পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে। রাস্তা ক্লিয়ার না থাকলে আমার পক্ষে অফিসে আসা সম্ভব হবে না।” নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, “আপনারা কি চান আমি অফিসে আসি?” উপস্থিত সবাই ‘হ্যাঁ’ সূচক স্লোগান দিলে তিনি বলেন, “তাহলে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে। আধা ঘণ্টার মধ্যে রাস্তা ক্লিয়ার করে মানুষের চলাচলের সুযোগ করে দিন। আমরা মানুষের সমস্যার কারণ হতে চাই না।” নিয়মিত অফিস করার ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে তিনি প্রায়ই কার্যালয়ে আসবেন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করবেন। রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তারেক রহমান কার্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির প্রশাসকসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতারা।সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে খোদ প্রধানমন্ত্রীর এমন সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছ