সারাদেশ

বিইআরসি’র দাম তোয়াক্কা করছে না সিন্ডিকেট: এলপিজি সিলিন্ডারে পকেট কাটছে ভোক্তার

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম পুনর্নির্ধারণ করা হলেও রাজধানীর বাজারে এর কোনো প্রতিফলন নেই। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১,৭২৮ টাকা নির্ধারণ করলেও খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২,১০০ থেকে ২,২০০ টাকায়। অর্থাৎ, প্রতিটি সিলিন্ডারে ভোক্তাদের অতিরিক্ত ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুনতে হচ্ছে।বিইআরসি’র ঘোষণা অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম গত মাসের ১,৩৪১ টাকা থেকে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১,৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি এই নির্দেশনা কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ। এলাকা ও দোকানভেদে দামের কিছুটা তারতম্য থাকলেও কোথাও সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস মিলছে না।শুধু ১২ কেজির সিলিন্ডারই নয়, ১৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজির বড় সিলিন্ডারগুলোর ক্ষেত্রেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দাবি করছেন বিক্রেতারা।বাজারে আসা সাধারণ মানুষ এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, এলপিজির দাম যখন কম ছিল, তখনও বিক্রেতারা বাড়তি দাম নিতেন। এখন নতুন করে দাম বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে সিন্ডিকেট চক্র সিলিন্ডার প্রতি কয়েকশ টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিচ্ছে।একজন ভুক্তভোগী ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, "সরকার এক হারে দাম বাড়ায়, আর দোকানদাররা বাড়ায় তার দ্বিগুণ। তদারকি না থাকায় আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পকেট কাটা যাচ্ছে। প্রতি মাসে গ্যাসের পেছনে এত বাড়তি টাকা দেওয়া আমাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত বাজার অভিযান না থাকায় খুচরা বিক্রেতা ও ডিলাররা ইচ্ছামতো দাম হাঁকানোর সাহস পাচ্ছেন। বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।