সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয়

২ বিলিয়ন ডলারের জরুরি ঋণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আকতার   নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণ এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন ডলারের জরুরি ঋণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ‘এশিয়া জিরো ইমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিট’-এ তিনি এ সহায়তা কামনা করেন।সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তিনি এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট প্রমাণ করেছে যে, কোনো দেশই এককভাবে এই বিপর্যয় মোকাবিলা করতে সক্ষম নয়। এই সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে।" তিনি ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে যে সাফল্য অর্জন করেছে, বর্তমান জ্বালানি অস্থিরতা তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • সরকারি অফিসের কর্মঘণ্টা ও কেনাকাটার সময়সীমা সংকুচিত করা।

  • জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি এবং বহুমুখী উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

  • জ্বালানির ব্যবহার ও অপচয় নিয়ন্ত্রণ করা।

  • জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সামিটে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ এশীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।মূলত এশীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই সামিটের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের এই প্রস্তাবের প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।