জাতীয়

বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাপ্রধানের করমর্দন

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

পারস্পরিক আস্থা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে উভয় দেশই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোতে দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তারা পারস্পরিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বৃদ্ধি, যৌথ মহড়া এবং তথ্য আদান-প্রদান নিয়ে আলোচনা করেছেন। সূত্রমতে, আধুনিক সমরাস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে দুই দেশের সেনাবাহিনী একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক করার বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ দমন এবং মাদক চোরাচালান রোধে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সামরিক কর্মকর্তারা ভারতে এবং ভারতের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আসছেন। এই শিক্ষা বিনিময় কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মানবিক সহায়তায় যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ।প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য ঢাকা-দিল্লি সামরিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তির বিনিময় এবং বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষায় দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা এই অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই সামরিক অংশীদারিত্ব আগামীতে আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।