জাতীয়

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পাওনা ৪৭ হাজার কোটি টাকা, ক্যাপাসিটি চার্জে বাড়ছে চাপ

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বর্তমান সংকটের কারণ উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির অস্থির মূল্যের কারণে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এই বাড়তি ব্যয় ভোক্তা পর্যায়ে বারবার সমন্বয় করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।আজ রবিবার (২৯ মার্চ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও সমকাল আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কার: জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জানান, বিদ্যুৎ খাত এখন প্রায় সম্পূর্ণভাবে আমদানি করা জ্বালানি, কয়লা ও এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি বিদ্যুৎ খাতে পড়ে। তিনি আরও প্রকাশ করেন যে, বর্তমানে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সরকারের কাছে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে, যা পরিশোধ করা সরকারের জন্য একটি বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বৈঠকে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট, অথচ উৎপাদন সক্ষমতা পৌঁছেছে ৩০ হাজার মেগাওয়াটে। মন্ত্রী বলেন, "নিরাপদ রিজার্ভ মার্জিনসহ প্রায় ২২ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা থাকলেই আমাদের চাহিদা মেটানো সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে অতিরিক্ত সক্ষমতার কারণে অনেক কেন্দ্র অব্যবহৃত থাকছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এসব কেন্দ্রের বিপরীতে সরকারকে বিশাল অংকের 'ক্যাপাসিটি চার্জ' গুনতে হচ্ছে।" জ্বালানি সংকটের পেছনে ‘আতঙ্কের কেনাকাটা’ বা প্যানিক বায়িং-কেও একটি অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন হাসান মাহমুদ। তবে সরকার এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সমাধান বের করার চেষ্টা করছে বলে তিনি আশ্বাস দেন।