বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক

দুই মাসে ইরান যুদ্ধ: শাঁখের করাতে ট্রাম্প, হামলা না কি সন্ধি?

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০১ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এখন টানটান উত্তেজনা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান অস্থিরতা নতুন মোড় নিয়েছে। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মাথায় ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো 'শাঁখের করাতে' পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিকে যুদ্ধের দামামা, অন্যদিকে কূটনৈতিক সন্ধির চাপ—সব মিলিয়ে এক কঠিন সমীকরণের মুখে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউস। গত দুই মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাগযুদ্ধ মাঠ পর্যায়ে গড়িয়েছে। লোহিত সাগর থেকে শুরু করে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত দুই দেশের ছায়া যুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। ট্রাম্পের 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নীতি ইরানকে কোণঠাসা করলেও, তেহরান পিছু হটতে নারাজ।ট্রাম্প যদি ইরানের ওপর সরাসরি সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, তবে তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্ফুলিঙ্গ ছড়াতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার পাশাপাশি মার্কিন অর্থনীতিতেও ধস নামার শঙ্কা রয়েছে।  : ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের দাবি তিনি একটি 'ভালো ডিল' চান। কিন্তু ইরান শর্ত দিয়েছে, আগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে সন্ধি করা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে ইমেজের সংকট তৈরি করতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও দ্বিধাবিভক্তি স্পষ্ট। পেন্টাগনের একাংশ কড়া সামরিক জবাবের পক্ষে থাকলেও, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টারা নির্বাচনের আগে বড় কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছেন না। ফলে ট্রাম্প এখন না পারছেন আক্রমণ করতে, না পারছেন পুরোপুরি পিছু হটতে।আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে একটি 'কন্ট্রোলড এসকেলেশন' বা নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরাসরি বড় যুদ্ধ এড়িয়ে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ বজায় রাখাই তাদের মূল কৌশল। তবে পারস্য উপসাগরে সামান্য একটি ভুল পদক্ষেপ যেকোনো মুহূর্তে বড় যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহ বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত আলোচনার প্রস্তাব দেবেন নাকি সামরিক শক্তির মহড়া দেখাবেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এখন টানটান উত্তেজনা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান অস্থিরতা নতুন মোড় নিয়েছে। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মাথায় ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো 'শাঁখের করাতে' পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিকে যুদ্ধের দামামা, অন্যদিকে কূটনৈতিক সন্ধির চাপ—সব মিলিয়ে এক কঠিন সমীকরণের মুখে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউস।গত দুই মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাগযুদ্ধ মাঠ পর্যায়ে গড়িয়েছে। লোহিত সাগর থেকে শুরু করে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত দুই দেশের ছায়া যুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। ট্রাম্পের 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নীতি ইরানকে কোণঠাসা করলেও, তেহরান পিছু হটতে নারাজ।ট্রাম্প যদি ইরানের ওপর সরাসরি সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, তবে তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্ফুলিঙ্গ ছড়াতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার পাশাপাশি মার্কিন অর্থনীতিতেও ধস নামার শঙ্কা রয়েছে। : ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের দাবি তিনি একটি 'ভালো ডিল' চান। কিন্তু ইরান শর্ত দিয়েছে, আগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে সন্ধি করা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে ইমেজের সংকট তৈরি করতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও দ্বিধাবিভক্তি স্পষ্ট। পেন্টাগনের একাংশ কড়া সামরিক জবাবের পক্ষে থাকলেও, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টারা নির্বাচনের আগে বড় কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছেন না। ফলে ট্রাম্প এখন না পারছেন আক্রমণ করতে, না পারছেন পুরোপুরি পিছু হটতে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে একটি 'কন্ট্রোলড এসকেলেশন' বা নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরাসরি বড় যুদ্ধ এড়িয়ে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ বজায় রাখাই তাদের মূল কৌশল। তবে পারস্য উপসাগরে সামান্য একটি ভুল পদক্ষেপ যেকোনো মুহূর্তে বড় যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।আগামী কয়েক সপ্তাহ বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত আলোচনার প্রস্তাব দেবেন নাকি সামরিক শক্তির মহড়া দেখাবেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।