রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক

ইরানের ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ দখলে নিতে চান ট্রাম্প: নেপথ্যে কী কারণ?

আকতার   নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬


| ছবি: 

ইরানের ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ দখলে নিতে চান ট্রাম্প: নেপথ্যে কী কারণ?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল ‘খারগ দ্বীপ’ দখলে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দ্বীপটির ওপর নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করবে। কিন্তু কেন ট্রাম্পের নজর এই ক্ষুদ্র দ্বীপে? এর নেপথ্যে মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:খারগ দ্বীপ হলো ইরানের তেল বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। দেশটির মোট তেল রফতানির সিংহভাগই এই টার্মিনাল থেকে সম্পন্ন হয়। ফলে, এটিকে ইরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে গণ্য করা হয়। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, এই দ্বীপটি দখল করতে পারলে ইরানের তেল রফতানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে চূড়ান্ত বিপর্যয়ের মুখে ফেলবে।
বিবিসির সিকিউরিটি ব্রিফের নিরাপত্তা বিশ্লেষক মিকি কে এই পদক্ষেপের সামরিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, খারগ দ্বীপ দখল করলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (IRGC)-এর প্রধান আয়ের উৎস বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। IRGC ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অংশ। তাদের আয়ের পথ বন্ধ হলে তা সরাসরি তাদের যুদ্ধ চালানোর ক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করবে।
কেবল অর্থনৈতিক চাপ নয়, খারগ দ্বীপের দখল মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এক বড় কৌশলগত সুবিধা দেবে। এই দ্বীপটি থেকে ইরানের মূল ভূখণ্ড অত্যন্ত কাছাকাছি। ফলে, এখান থেকে ইরানের ভেতরে যেকোনো সামরিক অভিযান বা হামলা চালানো অনেক সহজ হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি হিসেবে কাজ করতে পারে।
তবে খারগ দ্বীপ দখলের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা অত সহজ হবে না বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। স্কুল অব ওয়ার পডকাস্টের উপস্থাপক এবং সিবিএস-এর জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যারন ম্যাকলিন বলেন, এই দ্বীপটি দখলের জন্য যে কোনো মার্কিন অভিযান তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও তা হবে অত্যন্ত ‘চ্যালেঞ্জিং’। ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতিক্রিয়া এই অভিযানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।
 কুয়েতে ইরানের হামলায় ভারতীয় কর্মীর মৃত্যু, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যাহত
খারগ দ্বীপ নিয়ে উত্তেজনার মাঝেই কুয়েতে ইরানের পক্ষ থেকে বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধনাগারে ইরানের হামলায় একজন ভারতীয় কর্মী নিহত হয়েছেন।
কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই হামলায় প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোতে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। বর্তমানে জরুরি পরিষেবাগুলো চালু রাখার জন্য কারিগরি দল আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই হামলা এবং খারগ দ্বীপ দখলের মার্কিন পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এক নতুন এবং বিপজ্জনক মোড় ইরানের ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ দখলে নিতে চান ট্রাম্প: নেপথ্যে কী কারণ?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল ‘খারগ দ্বীপ’ দখলে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দ্বীপটির ওপর নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করবে। কিন্তু কেন ট্রাম্পের নজর এই ক্ষুদ্র দ্বীপে? এর নেপথ্যে মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:খারগ দ্বীপ হলো ইরানের তেল বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। দেশটির মোট তেল রফতানির সিংহভাগই এই টার্মিনাল থেকে সম্পন্ন হয়। ফলে, এটিকে ইরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে গণ্য করা হয়। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, এই দ্বীপটি দখল করতে পারলে ইরানের তেল রফতানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে চূড়ান্ত বিপর্যয়ের মুখে ফেলবে।
বিবিসির সিকিউরিটি ব্রিফের নিরাপত্তা বিশ্লেষক মিকি কে এই পদক্ষেপের সামরিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, খারগ দ্বীপ দখল করলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (IRGC)-এর প্রধান আয়ের উৎস বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। IRGC ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অংশ। তাদের আয়ের পথ বন্ধ হলে তা সরাসরি তাদের যুদ্ধ চালানোর ক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করবে।
কেবল অর্থনৈতিক চাপ নয়, খারগ দ্বীপের দখল মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এক বড় কৌশলগত সুবিধা দেবে। এই দ্বীপটি থেকে ইরানের মূল ভূখণ্ড অত্যন্ত কাছাকাছি। ফলে, এখান থেকে ইরানের ভেতরে যেকোনো সামরিক অভিযান বা হামলা চালানো অনেক সহজ হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি হিসেবে কাজ করতে পারে।
তবে খারগ দ্বীপ দখলের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা অত সহজ হবে না বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। স্কুল অব ওয়ার পডকাস্টের উপস্থাপক এবং সিবিএস-এর জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যারন ম্যাকলিন বলেন, এই দ্বীপটি দখলের জন্য যে কোনো মার্কিন অভিযান তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও তা হবে অত্যন্ত ‘চ্যালেঞ্জিং’। ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতিক্রিয়া এই অভিযানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।
 কুয়েতে ইরানের হামলায় ভারতীয় কর্মীর মৃত্যু, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যাহত
খারগ দ্বীপ নিয়ে উত্তেজনার মাঝেই কুয়েতে ইরানের পক্ষ থেকে বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধনাগারে ইরানের হামলায় একজন ভারতীয় কর্মী নিহত হয়েছেন।
কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই হামলায় প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোতে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। বর্তমানে জরুরি পরিষেবাগুলো চালু রাখার জন্য কারিগরি দল আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই হামলা এবং খারগ দ্বীপ দখলের মার্কিন পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এক নতুন এবং বিপজ্জনক মোড় নিল।