রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি অটুট: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

আকতার   নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬


| ছবি: 

 সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বিমান হামলার পরও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। পেন্টাগন ও সিআইএ-র অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য সামনে এনেছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইসরায়েল ইরানের নির্দিষ্ট কিছু সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালালেও তাদের মূল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং উৎপাদন ব্যবস্থা এখনো সচল রয়েছে। বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ ‘মিসাইল সিটি’ বা ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলো এই হামলায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে অথবা সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান এখনো ইসরায়েলের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানতে সক্ষম শত শত দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রেখেছে। গোয়েন্দা ড্রোন ও স্যাটেলাইট চিত্রের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের মোবাইল লাঞ্চারগুলো (ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যান) দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে নিরাপদ অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই গোয়েন্দা তথ্যের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ইরান যদি মনে করে তাদের শক্তি এখনো অটুট, তবে তারা ইসরায়েলের ওপর ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৩’ পরিচালনার সাহস পেতে পারে। ইসরায়েল দাবি করেছিল যে তাদের হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন এই রিপোর্ট সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি অটুট থাকার অর্থ হলো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ঝুঁকি এখনো কাটেনি। ইরান যদি তাদের মজুত করা ফাত্তাহ-১ বা খেইবার শেকান-এর মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে, তবে তা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।